Ants as Food Item: চাটনি বানিয়ে অথবা পপকর্ন হিসেবে খাওয়া হচ্ছে পিঁপড়ে ! এতে সত্যিই সত্যিই কি বাড়ে আয়ু?

Ants as Food Item: চাটনি বানিয়ে অথবা পপকর্ন হিসেবে খাওয়া হচ্ছে পিঁপড়ে ! এতে সত্যিই সত্যিই কি বাড়ে আয়ু?


#নয়াদিল্লি: বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় পিঁপড়েকে (Ants) খাদ্য রূপে গ্রহণ করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় পিঁপড়েকে শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী এবং স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। সম্প্রতি ছত্তিসগড়ের (Chhattisgarh) এক যুবক চাঞ্চল্যকর এক তথ্য জানিয়েছেন, ফলে তিনি এখন খবরের শিরোনামে। কারণ ওই যুবক জানান যে, তাঁর কাছে পিঁপড়ের চাটনি পাওয়া যায়!

আগের বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় লাল পিঁপড়ের চাটনি চর্চার বিষয়বস্তু ছিল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এটি খুব শেয়ার করা হয়েছিল। তখন এ-ও বলা হয়েছিল যে, পিঁপড়ের চাটনি করোনা সারিয়ে তুলতে পারে! পিঁপড়েকে খাদ্য রূপে গ্রহণ করতে অনেকেরই অনীহা রয়েছে। কিন্তু ছত্তিসগড়ের আদিবাসী এলাকায় পিঁপড়ের চাটনি বিশেষ ভাবে খাওয়া হয়। সম্প্রতি ছত্তিসগড়ের বস্তার জেলার ২৩ বছর বয়সী ওই যুবক জানিয়েছেন যে, তাঁর কাছে পাওয়া যায় পিঁপড়ের চাটনি। মুহূর্তের মধ্যেই যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। আসলে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ পিঁপড়েকে খুবই স্বাস্থ্যকর খাদ্য বলে মনে করে থাকেন এবং মানা হয় যে, পিঁপড়ে অন্যতম আয়ুবর্ধনকারী খাবার।

আরও পড়ুন : বন্ধ্যাত্ব এড়াতে ঋতুস্রাবকালীন পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দিন, মত স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের

ভারতের ছত্তিসগড়েই শুধু পিঁপড়েকে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করা হয় না, দক্ষিণ আমেরিকার কলম্বিয়ার (Columbia) মানুষও পিঁপড়ে শিকার করে। কলম্বিয়ার উত্তর মধ্য স্যান্টান্ডর এলাকায় হর্মিগাস কিউলাইনাস প্রজাতির পিঁপড়ে অর্থাৎ বিগ বাট নামের জনপ্রিয় পিঁপড়ের শিকার করা হয়। প্রজননের সময়ে এই প্রজাতির রানি পিঁপড়েদের (Queen Ant) ধরা হয়।

আরও পড়ুন : শুষ্ক, সেনসিটিভ বা তৈলাক্ত, সব ধরনের ত্বকে শীতের যত্নে দিন গোলাপজল

কলম্বিয়ায় মার্চ-এপ্রিল মাসে ভারী বৃষ্টির পরে পিঁপড়েদের প্রজননের সময় আসে। তখন তারা অনেক ডিম পাড়ে। সেই সময়েই ওই এলাকার মানুষ বেশি পরিমাণে রানি পিঁপড়ে শিকার করতে শুরু করে। বলা হয় যে, যখন একে নুন দিয়ে রান্না করা হয়, তখন এর স্বাদ অনেকটা পপকর্নের মতো হয়। সেই মরসুমে কলম্বিয়ায় খুব বেশি পরিমাণে পিঁপড়ে খাওয়া হয়। শুধু তা-ই নয়, তখন পিঁপড়ের দামও খুব বেশি থাকে।

আরও পড়ুন : রাত জেগে কাজ বা ওয়েবসিরিজ দেখার মাঝে বেজায় খিদে পেয়ে যায়? এই খাবারগুলি মুখে দিন নিশ্চিন্তে

কলম্বিয়ার পাশাপাশি মেক্সিকোতেও (Mexico) এই ধরনের পিঁপড়ে খাওয়ার খুব চল রয়েছে। মেক্সিকোয় বর্ষার মরসুমে বেশি পরিমাণে উড়ন্ত পিঁপড়ে ধরা হয় এবং তাদের খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। অনেকে আবার এই পিঁপড়েকে পিৎজার উপরের টপিং হিসেবেও ব্যবহার করে থাকেন।

ব্রাজিলেও (Brazil) এই ধরনের রানি পিঁপড়েদের খাওয়ার চল রয়েছে। এক সময়ে ব্রাজিলের দরিদ্ররা একে খাদ্য হিসাবে গ্রহণ করলেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি ব্রাজিলের অন্যতম জনপ্রিয় খাদ্য হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।

এই সব দেশ ছাড়াও আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডের বহু জায়গাতেই পিঁপড়ে খাওয়ার চল রয়েছে। আসলে বিশ্বের ওই সব এলাকার মানুষেরা মনে করে যে, পিঁপড়ে খেলে আয়ু বেড়ে যায়।

নিউজ১৮ বাংলায় সবার আগে পড়ুন ব্রেকিং নিউজ। থাকছে দৈনিক টাটকা খবর, খবরের লাইভ আপডেট। সবচেয়ে ভরসাযোগ্য বাংলা খবর পড়ুন নিউজ১৮ বাংলার ওয়েবসাইটে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

%d bloggers like this: